Sunday, December 19, 2010

সেকেন্ডারিতে যারা শেয়ার ব্যাবসা করতে চান , তাদের জন্য লিখা। **নবীন শেয়ার ব্যাবসায়ীদের বলছি।

সম্মানিত ব্লগার গন, কেমন আছেন আপনারা সবাই? সব ভালো তো? আমিও আছি একপ্রকার। পর সংবাদ আমার লিখা দুইটি ব্লগ “ শেয়ার বাজারে জুয়া থেকে দূরে থাকুন” এবং “শেয়ার বাজারে পতন” আপনাদের নিকট ব্যাপক

শেয়ার বাজারের জুয়াড়ীদের কৌশল এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য কয়েকটি পরামর্শ

শেয়ার বাজারের জুয়াড়ীদের কৌশল এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য কয়েকটি পরামর্শ : আমিনূল মোহায়মেন

বাংলাদেশে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। গত জানুয়ারি মাসেই এক লক্ষ পনের হাজার নতুন

জুয়াড়ি চক্র সক্রিয়। এই লেখাটি পড়ুন, কাজে লাগবে।

শেয়ার বাজারে ব্যবসা করে যেমন ধনী হ্ওয়া যায় তেমনি ফকির হওয়াও খুব সহজ। ধনী হতে হলে শুধুমাত্র নিজের মাথাটাকে একটু খাটাতে হবে আর ফকির হতে চাইলে না বুঝে শেয়ার কিনলে অথবা গুজবে কান দিয়ে জুয়াড়ি চক্রের

যে শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকা উচিৎ

এই কৌশলটি বিনিয়োগকারী ও ডে-ট্রেডার উভয় শ্রেণীর ব্যবসায়ীদের জন্য প্রযোজ্য। একজন বড় মাপের শেয়ার ব্যবসায়ী যদি হতে চান আপনাকে কম সময়ে বেশী লাভ করার সম্ভাবনা রয়েছে এবং আর্থিক ঝুঁকির মাত্রাও সহনীয়

শেয়ারের দাম বৃদ্ধির অন্যতম কিছু কারণ

শেয়ারের দাম বৃদ্ধির অনেকগুলো কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কিছু কারণ হলোঃ

শেয়ার ব্যবসায় ঝুঁকি কি করে কমানো যায়?

একজন বিনিয়োগকারীর প্রধান করণীয় হচ্ছে বিনিয়োগের পূর্বে বিনিয়োগ সম্পর্কে সঠিক ভাবে অবহিত হওয়া। যেখানে বিনিয়োগ করবেন সেখানে কী ধরনের ঝুঁকি আছে বিবেচনায় নেয়া এবং বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত আসার সম্ভাবনা আছে

শেয়ার ব্যবসায় লাভবান হওয়ার একদম সহজ কৌশল।

undefined
গতকাল সকাল ব্রোকারেজ হাউজে বসে বসে মোবাইল থেকে বিভিন্ন শেয়ারের ইনফরমেশান দেখছিলাম। তখন পাশে

Thursday, December 16, 2010

শেয়ার বাজার-১৩ ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস, টেকনিকাল এনালাইসিস: সহযোগী না প্রতিদ্ধন্ধী ?

ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস (FA) ও টেকনিকাল এনালাইসিস (TA) শেয়ার মার্কেটে বিনীয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিত দুটি ডিসিশন সাপোর্ট টুল। শেয়ার বাজার নিয়ে আমি নিয়মিত লিখি সামুতে, তাই এ সম্পর্কিত অন্যান্য

শেয়ার বাজার-৯ : প্রয়োজন ধৈর্য ও বিবেচনাবোধ

অবশেষে শেয়ার বাজারে শুরু হয়েছে কাঙ্খিত কারেকশন বা রি-এডজাস্টমেন্ট। অবশ্য সংখ্যাগরিষ্ট বিনিয়োগকারীর কাছে এই পরতি বাজার অনাকাঙ্খিত হলেও যারা প্রকৃত বিনিয়োগকারী তাদের কাছে এই অবস্থা সাদরেই গৃহিত হচ্ছে, কারন গত মাস তিনেকের উর্ধগতির ফলে বাজার হয়ে পড়েছিল অতিমূল্যায়িত। ফলস্বরুপ বিনিয়োগ ঝুকি বেড়ে গিয়েছিল বহু গুনে। তাই সচেতন বিনিয়োগকারীরা হাত গুটিয়ে নিতে শুরু করেছিলেন। ব্যক্তিগত ভাবে গত ২ মাসে আমি শুধু বিক্রিই করেছি; ২-১ টা ব্যতিক্রম ছাড়া কেনার চেষ্টা করিনি। পরিচিত অনেককেই ঠিক একই কাজ করতে শুনেছি এবং করতে বলেছি। আশা করি তারা এখন বুঝতে পারছেন কেন নতুন কিছু কিনতে নিরুৎসাহিত করেছিলাম।

মোটা দাগে আমাদের বাজারে ২ শ্রেনীর শেয়ার ক্রেতা রয়েছে - এখ দল শেয়ার বিনিয়োগকারী আর আরেক দল শেয়ার ব্যবসায়ি। বিনিয়োগ আর ব্যবসার মধ্যে যে বিস্তর ফারাক তা অনেকেই বুঝতে অক্ষম।

বিনিয়োগকারী: বিনিয়োগকারী তারাই যারা কম্পানির আয়-ব্যায় অর্থাৎ লাভ-লোকসানের উপর ভিত্তি করে শেয়ার কেনে এবং বিক্রির জন্য আদর্শ সময়ের জন্য অপেক্ষা করে। তাই পড়তি বাজার তাদের জন্য কেনার সময় আর উর্ধমূখী বাজার হল বিক্রির সময়। আর আমাদের শেয়ার বাজারের বেশির ভাগ কম্পানির বৎসর সমাপনী মাস যেহেতু ডিসেম্বর সেহে্যতু মার্চ-মে হল বিক্রির সময়। আবার অক্টবর-নভেম্বর মাসের মধ্যে যেহেতু কম্পানিগুল তাদের অর্ধবার্ষিক আয়ের হিসাব দিয়ে দেয় তাই এই সময়টা হল কেনার মৌসুম।

ব্যবসায়ি: এরা মূলত বাজারে বিভিন্ন গুজব ও হাইপ সৃষ্টি করে বিশেষ কোন শেয়ারের ভার্চুয়াল প্রাইস গেইন ঘটায় এবং এটা নিয়ে ব্যবসা করে। যেহেতু এই দাম বৃদ্ধির সাথে মূল কম্পানির আয় রোজগারের কোন সম্পর্ক নাই তাই এটা অনেকটা গ্যাস ভরা বেলুনের মত ফুলতেই থাকে কারন অজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা তখন এই কাতারে সামিল হয়ে দাম বারায়। আর পরিনতি স্বরুপ লাইনের শেষ প্রান্তে দাড়ান মানুষগুলর পকেট খালি হয়। এমনই একটা হাইপ (১০ টাকা ফেস ভ্যালু) গত ১ মাস শেয়ার বাজার চাঙ্গা রেখেছে। রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ে বাজার হয়ে পড়েছে সেচুরেটেড যার ভবিস্যাৎ একটাই পতল। বাতাস ছেড়ে দেয়া বেলুনের মত আরকি :)

তবে এই পতন অবসম্ভাবি হলেও বেশ আগে ভাগেই চলে এসছে। যার অন্যতম প্রধান কারন এবারের বাজেট। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ না থাকা, কেপিটাল গেইনের উপর ১০% কর আরোপ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আয়ের উপর টেক্স না কমানো - এগুলকে আপাত কারন মনে হচ্ছে অর্থাৎ এবারের বাজেটে শেরাব বাজার তথা এতে লিসটেড কম্পানি ও বিনিয়োগকারীদের জন্য কোন সুখবর নাই। আর যেহেতু বাজারের ডিভিডেন্ড দেয়ার মৌসুম শেষ তাই মন্দার এই আগাম আগমন।

তবে বাজেটে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের টেক্স ও টিআইএন এর বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্তির ঘোষনা বাজারকে উর্ধমুখী করতে না পারলেও এর তড়িৎ পতন ঠেকিয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রীর পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ি যাদি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আয়ের উপর টেক্স (৪০%) কমান না ই হয় তবে এই পতনে সাময়িক বিরোতি টানা সম্ভব নয়।

আবার ঐতিহ্য গত ভাবেই জুলাই-অক্টোবর হল ডিএসই'র ডাল পিরিয়ড। এর সাথে যুক্ত হয়েছে জিপির লকইন উঠে যাওয়ার সময় সূচি। আগস্টের ৩য় সপ্তাহেই জিপির ৫% শেয়ারের লকইন উঠে যাবে মানে তখন বাজারে আসবে এখনকার সমপরিমান নতুন শেয়ার। যদি প্রিআইপিও পাওয়া কম্পানিগুল এই শেয়ার বিক্রির জন্য ছেড়ে দেয় তবে ঠিক কি ঘটবে আল্লাই জানে। আমি প্রেডিকশন করছি নিম্নের ২ টা ঘটনার যে কোন একটা ঘটবে-

১। জিপির দাম মেনুপুলেট করে বাড়ান হবে এবং এর পর নতুন শেয়ারগুল বেশি দামে বিক্রি করা হবে। ফল স্বরুপ আবার মার্কেট আপ হয়ে ১-২ মাস কন্টিনিও করে পুনরায় পতন।অর্থাত শেষ বিচারে কিছু নির্বোধ বিনিয়োগকারীর পকেট খালি ।

২। ধীর গতিতে শেয়ারগুলর বিক্রি শুরু হবে ফলে প্রি-আইপিও পাওয়া রাঘব বোয়ালরা কাঙ্খিত মুনাফা পাবে না। তবে এমনটা ঘটার সম্ভাবনা খুব কম :(

আর আগের পোস্টে পতন থেকে বাচার উপায় নিয়ে কথা বলেছিলাম। আসা করি ইতিমধ্যেই সবাই পতল মোকাবেলার পূর্বপ্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন :)। আমি কিন্তু বেশ আগেই প্রস্তুত, ইতি মধ্যেই ৬০% শেয়ার কেশ করে ফেলেছি এখন শুধু কম দামে নতুন শেয়ার পকেটস্থ করার অপেক্ষা। উপভোগ্য হোক আপনাদের সকলের পড়তি বাজারে কেনা-কাটা।

শেয়ার বাজার-৮ : পতন থেকে বাচার উপায়

গেল দুই-তিন সপ্তাহ জুড়ে বাজার বেশ ভাল যাচ্ছে, তাই ধরে নিচ্ছি শেয়ার বাজার সংশ্লিষ্ট সবার মন-মেজাজ বেশ ভাল :)। আমিও বেশ ভালই আছি পকেটের সাথে সাথে মন ভাল থাকার গ্রাফ ও উর্ধমূখী।

শেয়ার ব্যবসা-৬: যে ভাবে ঘোষিত হতে যাওয়া ডিভিডেন্ট হিসাব করবেন

ডিভিডেন্ট ডিক্লারেশন সব সময়ই শেয়ার বাজারের ঐ শেয়ারের দামের উপর গুরুত্বপূর্ন প্রভাব ফেলে যা খারাপ-ভাল দুই প্রকারেরই হতে পারে। ডিভিডেন্ট ডিক্লারেশন হল একটি কম্পানির স্টেটেজিকাল বিজনেস ডিসিশন ফলে আগে

শেয়ার ব্যবসা - ৫: শেয়ার কেনার আগে যা যা দেখবেন

বিশেষ করে নতুন শেয়ার বিনিয়োগকারীদের জন্য এই পোস্ট, যারা সাধারনত বন্ধু বা পরিচিত কারো কথা শুনে তাদের প্রথম বিনিয়োগ স্বীদ্ধান্ত নেন। আর বলাই বাহুল্য বেশির ভাল ক্ষেত্রেই ধরা খান :) আমার নিজের অভিগ্যতাও

শেয়ার ব্যবসা - ৪: মিচুয়াল ফান্ড, বন্ড, জিরো কুপন বন্ড কি ?

ডিএসই -এর নতুন বিনিয়োগকারীদের প্রধান সমস্যা হলো তথ্যের অভাব ও জ্ঞানের সল্পতা ফলে অতি সহজেই গুজব ও ভুল তথ্যের উপর নির্ভর করে ধরা খাওয়া এক কথায় অতি সাধারন ঘটনা নতুনদের জন্য। এ রকম একটা ব্যপার

শেয়ার ব্যবসা - ২: কোন শেয়ার কিনবেন? কিভাবে? কতটা?

শেয়ার কেনার চেক লিস্ট
১। P/E দেখুন। এটা অবশ্যই ১৬ বা তার নিচে হওয়া উচিত। যত কম তত ভাল :)
২। NAV দেখুন। এর সাথে বাজার মূল্যের একটা সামান্জস্ব থাকা উচিত। যার NAV ৩০০ টাকা তার বাজার মূল্য

শেয়ার ব্যবসা - ১: যে ভাবে শুরু করতে পারেন

ভূমিকা : এই ব্লগে প্রায়ই শেয়ার বাজার নিয়ে কিছু পোস্ট আসে, সেগুল পড়া আর টুকটাক ২-১ টা কমেন্ট করাই ছিল আমার কাজ। আজ হটাৎ করেই এক জনের মেইল পেলাম। শেয়ার বাজার সম্পর্কে জানতে চান-শিখতে চান। সম্ভবত